ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ
সংবাদ এখন ডেস্ক
আপডেট :১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২:১০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

আন্দোলনে ‘আহতদের খোঁজ মেলেনি’, হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ধানমন্ডি থানার সাহেদ আলীসহ ১০ জনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের খোঁজ না পেয়ে’ শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

ঢাকা মেট্রোপলিন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে এ তথ্য পাওয়া যায়।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ ১১৩ জন আসামি।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর, ‘তথ্যগত ভুল’ থাকার কথা উল্লেখ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক রয়েছে।

মূলত, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে সীমান্ত স্কয়ার থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ৪ অগাস্ট ধানমন্ডি ২৭-এর মীনা বাজারের সামনে আহত হন সাহেদ আলী। সেসময় ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯জন আহত হন। এ ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন সাহেদের কথিত ভাই শরীফ। থানা পুলিশ মামলার তদন্তকালে চারজনকে গ্রেফতার করে। এরপর মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই। তদন্তকালে আহতদের খুঁজে পাননি তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহজাহান ভূঞাঁ মামলার বাদী শরীফের ভাই সাহেদ আলীসহ অন্যান্য আহতদের সন্ধানের জন্য সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং ঘটনাস্থলের আশেপাশের হাসপাতালে চিঠি দিয়ে প্রতিবেদন সংগ্রহ করেন। বাদীকে নোটিশ দিয়ে অনুরোধ করেন তার ভাইকে থানায় হাজির করতে। তবে তাতে সাড়া মেলেনি। মামলা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য বাদীর হাজারীবাগের ভাড়া বাসায় নোটিসশ পাঠানো হয়। তবে বাড়িওয়ালা জানান, শরীফ নামের কাউকে চেনেন না এবং সেখানে থাকে না। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে বের করেন, বাদীর নাম শরিফুল ইসলাম। লক্ষ্মীপুর সদরের মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সেখানে খবর নিলে তাকে কেউ চিনতে পারেননি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাদীর মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর মাঝেমধ্যে খোলা থাকে, আবার কখনো বন্ধও থাকে। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন তদন্ত কর্মকর্তা। বেশ কয়েকদিন অপেক্ষার পর শরীফ ধানমন্ডি লেকের পাশে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা ভুক্তভোগীকে হাজির করতে এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান। তবে দীর্ঘদিন পার হলেও তিনি ভুক্তভোগীকে হাজির বা চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র সরবরাহ করেননি। চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য এজাহারেও উল্লেখ করেননি বাদী।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসি একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে : ছাত্রদল সভাপতি

তাপস, নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

ফেসবুকে ট্রাম্পকে টপকে গেলেন তারেক রহমান

বেড়েছে বাঘ, কমেছে খাবার

তারেক রহমানকে কাঁদালেন কে এই আদিবা

গোপালগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নাতি-দাদিসহ নিহত ৩

ইসিতে আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও হাসনাত আব্দুল্লাহর বাকবিতণ্ডা, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

খুলনা জেলা মুক ও বধির যুব সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে : তারেক রহমান

১০

জোটে চরমোনাইয়ের দল না থাকার কারণ জানালেন মামুনুল হক

১১

ঢাকাকে বিদায় করে প্লে অফে রংপুর

১২

বেতন কমিশনের প্রতি‌বেদন জমা ২১ জানুয়ারি, দুই ধা‌পে বাস্তবায়ন

১৩

ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে

১৪

সারা দেশে ৫৬ জন নির্বাচনি পর্যবেক্ষক মোতায়েন ইইউর

১৫

ইরানকে ধন্যবাদ জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

১৬

দেশের কয়লা-গ্যাস কুক্ষিগত করতে আঞ্চলিক মহাশক্তি ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে : রিজভী

১৭

রাজধানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিহত ৬

১৮

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ

১৯

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ

২০