ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষা
রমজানে ১০ লাখ পরিবারকে সুলভমূল্যে প্রোটিন খাদ্য দেবে সরকার : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়
খুলনা খাদ্য পরিবহণ ঠিকাদার সমিতির কর্মবিরতিতে অচল খাদ্যবিভাগ
ভারতের নৌ মহড়ায় বাংলাদেশসহ ৭০ দেশের অংশগ্রহণ
সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের
আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে সরকারি অফিস-আদালত-ব্যাংক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান চীনের রাষ্ট্রদূত
আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
রমজানে মাংসের দাম বেধে দিল কেসিসি 
ট্রাক সিন্ডিকেট কারণে খুলনা খাদ্য পরিবহন (সড়ক বিভাগ) ঠিকাদার সমিতির কর্ম বিরতিতে অচল হয়ে পড়ছে। এতে সরকারের জরুরি সেবা ব্যাহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক। বন্ধ রয়েছে খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি, ৪ নং ও ৭ নং ঘাট অঞ্চলের ট্রাক লোড আনলোড।
২৭০ জন ঠিকাদার ২০০৫ সালে খাদ্য পরিবহন (সড়ক বিভাগ) চুক্তিবদ্ধ হন। নানা কারণে এরপরে আর টেন্ডার না হওয়ায় ২০০৫ সালের রেটে এখনো ব্যবসা করে যাচ্ছেন তারা।
ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘এ অনির্দিষ্ট কর্মবিরতি প্রত্যাহার না হলে অচল হয়ে পড়বে জরুরি সেবা। কর্মহীন হয়ে পড়বে খুলনার ২৫০০ শ্রমিক। ঠিকাদার ও ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।’
খুলনা খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির সভাপতি এস এম আজিজুর রহমান স্বপন বলেন, ‘আমরা যারা খাদ্য বিভাগে কাজ করি খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ঢাকায়। সকলের সরকারের লাইসেন্সকৃত পরিবহন আছে এই পরিবহনের কাছে ট্রাক ভাড়া করার স্বাধীনতা আমাদের আছে। যে-কোনো ট্রান্সপোর্ট থেকে আমরা সুবিধামতো গাড়ি নিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারি। এক জায়গায় গাড়ি না পেলে অন্য জায়গা থেকে গাড়ি নিতে পারি। কিন্তু খুলনার মহেশ্বরপাশা, সিএসডি, ৪ ও ৭ নং ঘাটে বিভাগীয় খাদ্য পরিবহণ সমিতির গাড়ি ভাড়া করার স্বাধীনতা নেই। এর কারণ হচ্ছে খুলনার জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট নামের ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন নিয়ন্ত্রিত। তাদের কাছ থেকে ব্যবসায়ীদের গাড়ি নিতে বাধ্য করা হয়। এখানে একতরফা তাদের সিন্ডিকেট সচল। বিগত সরকারের আমলেও তারা আমাদেরকে বাধ্য করেছিল। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরে কিছুদিন শিথিল ছিল কিন্তু জাতীয় নির্বাচনের পর তা আবার সচল হয়ে উঠেছে। ট্রাক মালিকদের এই সিন্ডিকেটের কারণে আমাদের পক্ষে এখন ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না।’
খুলনার খাদ্য পরিবহন (সড়ক পথ) ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘জয়েন্ট পরিবহন মালিক সমিতি (৬২২) যে রেট দিবে তাদের রেটে গাড়ি নিতে হবে। প্রতি গাড়িতে তিন থেকে চার হাজার টাকা বেশি দিতে হয়। এ ছাড়াও তাদের গাড়ির কোন লাইসেন্স নেই। আর এক ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমাদের কোন গাড়ি নিতে হলে তাদের মাধ্যমে নিতে হবে। ওরা যে গাড়ি দিবে তাই নিতে হবে।’
মন্তব্য করুন