ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
মোংলা বন্দর ব্যবস্থাপনার আমূল পরিবর্তনের আশ্বাস নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর
স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য আটক, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
প্রথমবার তেজগাঁও কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
শুল্ক আরোপে বিকল্প ক্ষমতা প্রয়োগের ঘোষণা ট্রাম্পের
শিকার নিষিদ্ধ ১০ মণ শাপলা পাতা মাছসহ ২২ জেলে আটক
একুশ আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে একটা প্রেরণা হয়ে আসবে : ফখরুল
ভরিতে ৩ হাজার বাড়ল সোনার দাম
ভাষা শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল
খুলনার সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য নেত্রীরা মাঠে 
আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) ব্যবহার করে ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন—এমন রায় দিয়েছেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এমন রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রতিক্রিয়ায় নতুন করে বিশ্বজুড়ে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার এক বক্তব্যে তিনি জানান, আদালতের রায়ের পর বিকল্প আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
রায়ের পরপরই শীর্ষ আদালতের কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, ‘আদালতের কয়েকজন সদস্যের কারণে দেশের জন্য সঠিক কাজ করার সাহস তারা দেখাতে পারেননি।’
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘যেসব বিদেশি দেশ বছরের পর বছর আমাদের ঠকিয়ে এসেছে, তারা এখন খুব খুশি। তারা রাস্তায় নাচছে। কিন্তু এই আনন্দ বেশি দিন থাকবে না, এটা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি।’
তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জবাবে শুক্রবারই একটি নির্বাহী আদেশে সই করবেন তিনি। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সব দেশের ওপর বিদ্যমান শুল্কের অতিরিক্ত হিসেবে নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, এটি হবে আদালতের রায়ের আইনি সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে যাওয়ার একটি উপায়।
এছাড়া তিনি জানান, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ৩০১ ধারা অনুযায়ী নতুন করে একাধিক বাণিজ্য তদন্ত শুরু করা হবে। এই ধারার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এমন দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারে, যাদের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক, অন্যায্য কিংবা বৈষম্যমূলক বাণিজ্য চর্চার অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘ওদের সিদ্ধান্ত ভুল। তাতে কিছু যায় আসে না, কারণ এই রায়েই আমাদের জন্য আরও শক্তিশালী বিকল্প পথ উন্মুক্ত হয়েছে।’
সুপ্রিম কোর্টের ৬–৩ রায়ের ফলে ট্রাম্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও পররাষ্ট্রনীতিগত হাতিয়ার বড়ভাবে সীমিত হয়ে গেল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম বছরজুড়েই তিনি বিভিন্ন দেশকে নতুন বাণিজ্যচুক্তিতে বাধ্য করতে শুল্ককে প্রধান চাপের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রেও শুল্ককে চাপ সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে দেখিয়েছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন