ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ৪ মার্চ
সিইসি’র সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক, কাল ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ
আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি : আসিফ মাহমুদ
ভোট পুনঃগণনার দাবিতে ইসিতে লিখিত অভিযোগ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
নবনির্বাচিত সদস্যদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে সংসদ ভবন
প্রেমিকাকে না পেয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন!
হাতিয়ায় ধর্ষণে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি মহিলা জামায়াতের
মঙ্গলবার শপথ পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার
তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আসা অনিশ্চিত মোদির
বাগেরহাটে দুই বাসের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫ 
জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিচার শুরু হয়েছে।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
সকালে গ্রেপ্তার আসামি জুনায়েদ আহমেদ পলকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এরআগে গত ২১ জানুয়ারি জয়-পলকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
গত ১৫ জানুয়ানি পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। তিনি বলেন, প্রসিকিশনের পক্ষ থেকে আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার পক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ তুলে ধরতে পারেননি। তাই আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান তিনি।
এরপর জয়ের আইনজীবী মুনজুর আলম তার বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি জয়কে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। পরে প্রসিকিশনের পক্ষ থেকে গাজী এমএইচ তামীম বলেন, প্রসিকিশন যথাযথ তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। মামলার বিচারের সময় তা প্রমাণ করা হবে। তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আবেদন জানান।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়। দুই আসামির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।
প্রথম অভিযোগে বলা হয়, জয়ের কথামতো ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরপর তিনটি পোস্ট করে উসকানি দেন পলক। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী।
দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, উভয়ের পরামর্শক্রমে ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি ও প্ররোচনা দেন জয় ও পলক। একইসঙ্গে হত্যায় সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন।
মন্তব্য করুন