ভিডিও
স্টোরি
ফটো স্টোরি
যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞ: তারেক রহমান
অনেক দিন পর চমৎকার ও স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে : মির্জা ফখরুল
তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদির ফোন
ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তা করছি : গোলাম পরওয়ার
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে
২৯৯ আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ ইসির, কোন দল কত পেল!
২ আসনেই হেরেছেন ফয়জুল করীম
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাড়া জাগিয়ে ভোটে হারলেন যারা
জুলাই সনদে যা যা সই করেছি সব পূরণ করব : ফখরুল
জামানত হারালেন মাহমুদুর রহমান মান্না 
জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতার সময় খুলনার তিনটি আসনে নিজেদের ‘ভালো অবস্থান’ দাবি করেছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বিজয়ী হওয়ার দৌড়ে এ ক্যাটাগারির আসন দাবি করা হয়েছিল খুলনা-৩ ও খুলনা-৪ আসনকে। এর মধ্যে খুলনা-৩ আসনে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয় ইসলামী আন্দোলনের। দলটির দাবি ছিল, খুলনা-৩ আসনে হাতপাখা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। এমন অনেকগুলো আসনে টানাপোড়েনের জের ধরে ইসলামী আন্দোলন ১১ দল থেকে বের হয়ে পৃথক নির্বাচন করেন।
নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, জয়ের আশায় থাকা প্রতিটি আসনে শোচনীয় পরাজয় হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের। খুলনা-৩, খুলনা-৪ সহ খুলনার সবকটি আসনেই জামানত হারিয়েছেন দলটির নেতারা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, খুলনার ৬টি আসনে ৫টিতে প্রার্থী দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন। আসনগুলোতে দলের কেন্দ্রীয় মহাসচিব, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও চরমোনাইয়ের খলিফা, খুলনা মহানগর আমিরসহ শীর্ষ নেতারা প্রার্থী হন।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট পেলে সেই প্রার্থীর জামানত রক্ষা হবে। কিন্তু দলটির একজনও এতো ভোট পাননি। অনেক আসনে আধা শতাংশ ভোটও পাননি।
বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের মধ্যে খুলনা-১ আসনের মো. আবু সাইদ ৫ হাজার ৬১৯ ভোট, খুলনা-২ আসনে দলের মহানগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ ৭ হাজার ২৯৮ ভোট, খুলনা-৩ আসনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল ৫ হাজার ৭০৫ ভোট, খুলনা-৪ আসনে দলটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ শেখ ১৩ হাজার ৩৪৫ ভোট এবং খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী আছাদুল্লাহ ফকির ২ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
খুলনা-২ আসনে দলের মহানগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ বলেন, ‘সারাদেশে মানুষের মধ্যে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে। তাদের বোঝানো হয়েছে, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে জোট এখনও রয়েছে। যে প্রতীকে ভোট দিবেন হাতপাখা পেয়ে যাবে। সরলমনা মানুষ এতে বিভ্রান্ত হয়েছে। যার কারণে সারাদেশে হাতপাখা হেরে গেছে।’
খুলনা-২ আসনে দলের মহানগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ বলেন, ‘সারাদেশে মানুষের মধ্যে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে। তাদের বোঝানো হয়েছে, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে জোট এখনও রয়েছে। যে প্রতীকে ভোট দিবেন হাতপাখা পেয়ে যাবে। সরলমনা মানুষ এতে বিভ্রান্ত হয়েছে। যার কারণে সারাদেশে হাতপাখা হেরে গেছে।’
মন্তব্য করুন