নারায়ণগঞ্জে স্বামীর সন্ধানে বেরিয়ে গণধর্ষণের শিকার

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কাশিপুরে স্বামীর খোঁজ করতে গিয়ে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে গত শুক্রবার রাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- কাশীপুরের নরসিংপুর এলাকার নিরাপত্তা প্রহরী নুরুল ইসলাম, একই এলাকার আইনুল ও মুসলিমনগর এলাকার রাজা বল্লভ।

এদিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘরে ঢুকে ১২ বছরের এক শিশুকে প্রতিবেশী যুবক ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বগুড়ার ধুনটে বাকপ্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে থানায়। নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

নারায়ণগঞ্জ : ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ওই নারীর স্বামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক। প্রতিদিন বিকালে তিনি বাড়ি ফেরেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় স্ত্রী তাকে খুঁজতে বের হন। রাতে নরসিংপুর এলাকার একটি অটোরিকশার গ্যারেজে গিয়ে স্বামীর খোঁজ করেন তিনি। এ সময় ওই এলাকার নিরাপত্তা প্রহরী নুরুল ইসলাম স্বামীকে খুঁজে দেওয়ার কথা বলে গ্যারেজের পাশে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে আইনুল ও রাজা বল্লভও সেখানে এসে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন।

রাজবাড়ী : গোয়ালন্দে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গতকাল শনিবার গোয়ালন্দঘাট থানায় মামলা করেন তার বাবা। অভিযুক্তের নাম রফিক শেখ। তিনি ওই উপজেলার দক্ষিণ দৌলতদিয়া ইছাক মুন্সিরপাড়া গ্রামের মো. নাছির শেখের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মেয়েটির বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। কাজের কারণে শুক্রবার তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন। শিশুটির মাও গবাদিপশুর জন্য মাঠে ঘাস কাটতে যান। বিকালে শিশুটি বাড়িতে একাই ছিল। এ সুযোগে রফিক শেখ ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে শিশুর বাবা বাড়িতে এসে মেয়ের নাম ধরে ডাকলে রফিক শেখ দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান।

গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে রাজবাড়ী সিভিল সার্জন অফিসে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বগুড়া : ধুনট উপজেলায় বাক প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে আবুল কালাম নামের এক কাঠমিস্ত্রির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আবুল কালাম ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের গোপালনগর গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। শুক্রবার রাতে ভিকটিমের মা ধুনট থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আবুল কালাম ও বাক প্রতিবন্ধী নারীর বড় ভাই কাঠ মিস্ত্রি। সে সুবদে ওই নারীর বাড়িতে যাওয়া আসা ছিল আবুল কালামের। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে আবুল কালাম প্রতিবন্ধী ওই নারীকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করতে থাকে। পাশের ঘর থেকে গোঙানীর শব্দ শুনতে পেয়ে ওই ঘরে প্রবেশ করে আবুল কালামকে আটকের চেষ্টা করেন ওই নারীর মা। অবস্থা বেগতিক দেখে মা ও মেয়েকে ধাক্কা মেরে ফেলে ঘর থেকে সটকে পড়েন কালাম। পরদিন ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় গ্রাম্য মাতব্বরদের নিয়ে এ বিষয়ে শালিস বৈঠক চলাকালে কৌশলে সেখান থেকেও পালিয়ে যায় আবুল কালাম। খবর পেয়ে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ধর্ষণের শিকার নারীকে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। রাতেই থানায় মামলা দায়ের করা জয়। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী ওই নারীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। আবুল কালামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

এমন আরো সংবাদ

Back to top button