বায়ুদূষণে এক বছরে ৬৬ লাখ মানুষের মৃত্যু

অকাল মৃত্যুর জন্য যে সব কারণকে দায়ী করা হয়, তার মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বায়ুদূষণ। গেলো বছর বায়ুদূষণে ৬৬ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়।

বায়ুদূষণের কারণে পরিবেশ বিপর্যয়ে অকাল মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বায়ুদূষণের কারণে উচ্চরক্তচাপে ১০ লাখ ৮০ হাজার, ধূমপানে ৮০ লাখ ৭১ হাজার, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় ৭০ লাখ ৯৪ হাজার মানুষ মারা গেছে। স্টেট অব গ্লোবাল এয়ার রিপোর্ট ২০২০-এ এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে জোর দিয়ে বলা হয়, বিশুদ্ধ বাতাসের অভাবে জন্মের পর এক মাসের মধ্যে গেলো বছর ৫ লাখ শিশু মারা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্যাটেলাইটের ছবি এবং বাস্তবভিত্তিক তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বায়ুদূষণকারী পদার্থ যেমন নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইডের মতো পদার্থের নিঃসরণের পরিমাণ অনেক কমেছে। এয়ার ইনডেক্সে বায়ুর মান উন্নত হয়েছে।

বলা হয়, এ ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন খুবই ক্ষণস্থায়ী। বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার সাথে সাথে বায়ুদূষণের জন্য দায়ী পদার্থের নি:সরণ বাড়তে শুরু করেছে। খারাপ হতে শুরু করেছে বায়ুমান।

গেলো ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে বিশ্বের ১৮৯টি দেশের ১১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪ কোটি ৮৩ লাখ। সুস্থ হয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত, নেপাল এবং নাইজারের বাতাসের মান ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি খারাপ ছিল। বাতাসের মান সবচেয়ে ভালো ছিল কানাডা, ব্রুনাই দারুসসালাম এবং অস্ট্রেলিয়ায়।

বায়ুদূষণের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ এবং পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারত ও চীন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ সালের পর থেকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের দেশগুলোতে কয়লার ব্যবহার ব্যাপকভাবে কমেছে।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button