রেকর্ডের ম্যাচে কলকাতার লজ্জার হার

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে লজ্জাজনক একটা রাত পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। হেরেছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে। কিন্তু হারের সঙ্গে বেশ লজ্জাও সঙ্গী হয়েছে মরগ্যান বাহিনীর।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৪ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় সম্প্রতি অধিনায়ক পরিবর্তন করা কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএলে অলআউট না হয়ে এত কম সংগ্রহের নজির নেই অন্য কোনো দলের।

কলকাতাকে ধ্বসিয়ে দেয়ার কাজটা শুরু করেন আরসিবির পেসার মোহাম্মদ সিরাজ। শুরুর দুই ওভারে কোনো রান না দিয়ে তিনি তুলে নেন ৩ উইকেট! আইপিএলে কোনো বোলারের পরপর ২ ওভার মেইডেন দেয়ার রেকর্ডটাও গড়েন সিরাজ।

তার সঙ্গে যোগ দেন প্রোটিয়া পেসার ক্রিস মরিস ও স্পিনার ওয়াশিংটন সুন্দর। তারাও আদায় করে নেন একটি করে মেইডেন ওভার। সবমিলিয়ে এক ইনিংসে ৪টি মেইডেন ওভার! টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এতো স্বপ্নের ব্যাপার। কিংবা ব্যাটিং করা দলের জন্য চরমতম লজ্জার। আইপিএলে এবারই প্রথম এক ইনিংসে ৪টি মেইডেন ওভার হলো।

ব্যাঙ্গালুরুর বোলারদের এমন দাপুটে বোলিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৪ রান তুলতে সক্ষম হয় কলকাতা। জবাবে ৩৯ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কোহলি বাহিনী।

আবুধাবীতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দলীয় ৩২ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়ে মরগ্যানের দল। এরপর অধিনায়ক মরগ্যান একপ্রান্ত আগলে রাখলেও, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় রাইডার্স।

যদিও ব্যক্তিগত ৩০ রানে ওয়াশিংটন সুন্দরের শিকার হন ইয়ন মরগ্যান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ৮৪ রান সংগ্রহ করে কলকাতা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ হয় ব্যাঙ্গালুরুর। দুই ওপেনার দেবদূত ও অ্যারন ফিঞ্চ উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ৪৬ রান। তবে ব্যক্তিগত ১৬ রানে ফেরেন ফিঞ্চ।

এরপর রান আউটের ফাঁদে ধরা দেন দেবদূত। যদিও অধিনায়ক কোহলি ও গুরকিরাতের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে, সহজ জয় পায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। গুরক্রিত করেন ২১ রান আর কোহলি অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button