দামের সঙ্গে দুশ্চিন্তা বাড়ছে ভোক্তার

করোনার দীর্ঘ অভিঘাতে এমনিতেই আর্থিক টানাপড়েনে রয়েছে বেশিরভাগ মানুষ। অন্যদিকে বাজারে ভোগাচ্ছে জিনিসপত্রের দাম। এরই মধ্যে প্রতিদিনের রান্নায় বহুল ব্যবহৃত সয়াবিন তেলের দাম লাফিয়ে বাড়তে থাকায় সীমিত আয়ের মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ছে। খোলা সয়াবিন কিংবা পাম তেল কিনে খেতেও কষ্ট হচ্ছে তাদের।

রাজধানীর মাতুয়াইল বাজারে খোলা তেলের দোকানে এসে দাম শুনে হতাশ বেসরকারি চাকরিজীবী মো. সাফিন আহমেদ। তেলের দামটাও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। সাফিন বলেন, ‘তেল ছাড়া রান্নাঘর অচল। কিন্তু সামান্য লুজ তেলের দামটাও দিন দিন বাজেটের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিমাসে বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে রান্নার তেলের পেছনে। ১৫০ টাকা কেজির লুজ তেল কিনতে এখন মাসে খরচ হচ্ছে হাজারখানেক টাকা। আমার মতো সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে এত ব্যয় সামাল দেওয়া কষ্টকর।’

প্রতিমাসে রান্নার তেলের খরচ নিয়ে সাফিনের মতো হিমশিম খাচ্ছেন বেশিরভাগ মানুষ। তার ওপর আরেক দফায় লিটারপ্রতি ৭ টাকা দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা। গত ১৯ অক্টোবর ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। গত বুধবার প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। আগে ছিল ১৫৩ টাকা। অথচ, গত বছরের একই সময়ের (অক্টোবরে) বাজারচিত্রে দেখা গেছে, ওই সময় প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ছিল ১১৫ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৪৫ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে বর্তমানে প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। গত বছর একই সময়ে (অক্টোবর মাসে) যা বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ৯২ টাকায়। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে দাম ৫৮ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এমন আরো সংবাদ

Check Also
Close
Back to top button