প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে কলেজছাত্র

নিজের প্রেমিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার কলেজছাত্র ওমর ফারুক। ঘটনা আড়াল করতে নিহত মাদ্রাসাছাত্রী আয়েশা সিদ্দিকার লাশ বস্তাবন্দী করে ডোবায় ফেলে দেয়।

গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এমন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা রহস্য উদঘাটন নিয়ে প্রেস ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানিয়েছেন সিআইডি কক্সবাজার ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ। এ ঘটনার মূল হোতা কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামার আনোয়ার হোছাইনের ছেলে চকরিয়া কলেজের ছাত্র ওমর ফারুক (২৩) সিলেট থেকে ও তার সহযোগী মোহাম্মদ ইলিয়াসকে পেকুয়া থেকে গ্রেপ্তারের পর ঘটনার মূল রহস্য জানতে পারে সিআইডি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পেকুয়ার মগনামা ফতেআলী পাড়া এলাকার জামাল উদ্দিনের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (১৬)। সে ওই এলাকার শাহা রশিদিয়া আলীম মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার সঙ্গে ওমর ফারুকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে কারণে ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর ফারুকের বাসায় যায় আয়েশা। ধর্ষণের পর বাড়িতে চলে যেতে বলে আয়েশাকে। সে যেতে না চাইলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে তা আড়াল করতে লাশ ডোবায় ফেলে পালিয়ে যায় ওমর ফারুক। এরপর ওই বছরের ২২ নভেম্বর ডোবা থেকে লাশ উদ্ধার মামলা দায়ের করে আয়েশার বাবা জামাল উদ্দিন। ওই মামলায় ওমর ফারুকসহ চারজনকে আসামি করা হয়।

মামলাটি দায়িত্ববার নেওয়ার পর গত ২৬ মে মূল আসামি ফারুককে গোলাপগঞ্জ থানাধীন ফুলবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তারের পর ২৮ মে তার সহযোগী ও ফুফাতো বোনের স্বামী মোহাম্মদ ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ জানান, দীর্ঘ চেষ্টার পর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্য পেয়েছে সিআইডি। এ ঘটনাটি আড়ালেই ছিল দেড় বছর। তারপর সিআইডি এঘটনার সঠিক তথ্য উম্মোচন করল।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button