খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন পরিবারের

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে তার পরিবার। একইসঙ্গে তার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তারা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার ছোট ভাই শামীম ইসকান্দার এ আবেদন জমা দেন। আবেদনের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করে সেটি সচিবের দপ্তরে পাঠিয়ে দেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল দুপুরে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইসকান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ সংক্রান্ত আবেদনপত্র হস্তান্তর করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করে সেটি সচিবের দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি কিছু জানি না। আবেদনের বিষয়ে আমাকে কেউ কিছু বলেননি।’

পরিবারের একটি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জমা দেন। একইসঙ্গে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে তার স্থায়ী জামিনের আবেদনও করা হয়। তবে, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে খালেদা জিয়ার পরিবারকে কিছু জানানো হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, খালেদা জিয়া মুক্তি পাওয়ার পর থেকে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সব শর্তই অক্ষরে-অক্ষরে পালন করে আসছেন। ফলে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে আশা করা যেতে পারে সরকার তাকে স্থায়ী জামিন দিবে।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দোষি সাব্যস্ত হওয়ায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন খালেদা জিয়া। গত বছর ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে ২৫ মাস কারাভোগের পর শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য দণ্ড স্থগিত করে মুক্তি দেয় সরকার। এরপর দ্বিতীয় দফায় ফের ছয় মাস সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ আগামী ২৫ মার্চ শেষ হচ্ছে।

 

এমন আরো সংবাদ

Back to top button