শিক্ষাকে আনন্দময় করতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী

এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিল ৪৭ হাজার ২৮৬। রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের পর সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে যুক্ত হয়ে এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে এইচএসসির ফলের সারসংক্ষেপ গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, আমরা শিক্ষাকে আনন্দময় করতে চাই। আমাদের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে, দক্ষতা অর্জন করবে, তারা সঠিক মনোভাব নিয়ে গড়ে ওঠবে এটাই প্রত্যাশা। এ সময় তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভিড় না করার আহ্বান জানান। মোবাইলে রেজিস্ট্রেশন বা নেটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল পেয়ে যাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জমায়েত হয়ে কোনো রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি নেবেন না।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে একযোগে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনাকালে দীর্ঘ বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরীক্ষার হলে বসা হয়নি দেশের ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীর। পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফলাফল দেওয়া এবং ডিজিটালি ফল প্রকাশের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

এক্ষেত্রে জেএসসির ফল থেকে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির ফল থেকে ৭৫ শতাংশ নিয়ে গড় করে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরে ফেল করা শিক্ষার্থীরাও এবার পরীক্ষার্থী ছিল। তাদেরও পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখল।

এমন আরো সংবাদ

Back to top button